সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার একেবারে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত এলাকায় খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে বালুভরা বেশ কিছু স্বচ্ছ পানির নদী। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে লোভাছড়া নদী। লোভাছড়া নাম শুনে তো প্রেমে পড়ার অবস্থা। সীমান্তের বড় বড় পাহাড় ছুঁয়ে নেমেছে ঝর্ণা। চারদিকে সবুজ বেষ্টিত চা বাগান, সারি সারি গাছ, পাহাড় আর বালু সমৃদ্ধ স্বচ্ছ পানির বহমান নদী। অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে প্রাকৃতিক নৈসর্গের আরেক রূপ। নাম ‘লোভাছড়া’। লোভাছড়া থেকে ভারতের পাহাড়ি রাজ্য মেঘালয় খুব বেশী দূরে নয়। এখাকার যে কোন উঁচু পাহাড়ে উঠলে মেঘালয়ের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় খুব কাছে থেকে দেখা যায়। ভোর সকালে লোভাছড়া বাগানে হরিণ, খরগোশ, আর বন মোরগ চোখে পড়ে। লোভাছড়া চা-বাগান বন্যপ্রাণীরও অভয়াশ্রম। বাগান কর্তৃপক্ষের একটি বিশাল আকৃতির পোষা হাতি রয়েছে, যেটি সবসময় বাগানে অবাধ চলাফেরা করে।লোভাছড়ায় পর্যটকের জন্য থাকার কোন সু-ব্যবস্থা না থাকলেও বাগান মালিক কর্তৃপক্ষের জন্য রয়েছে ৪টি বাংলো। বাংলোগুলোর বাহ্যিক দৃশ্যগুলোও বেশ নান্দনিক। লোভাছড়া বাগানের পাশ দিয়ে বয়ে চলা লোভা নদী থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক পাথর উত্তোলন করেন। এই নদীর পাথর ও বালু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে যায়। লোভাছড়া এলাকার জনসাধারণ চাষাবাদ এবং পাথর উত্তোলন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এলাকার মানুষগুলো খুবই সহজ সরল।
যেভাবে যাওয়া যাবে লোভাছড়ায়ঃ সিলেট শহর থেকে তিনটি সড়কে কানাইঘাট সদরে পৌঁছার সুযোগ আছে। বাস অথবা সিএনজি-অটোরিক্সায় সরাসরি দরবস্ত-চতুল হয়ে কানাইঘাট সদরে যাওয়া যায়। অন্যদিকে, গোলাপগঞ্জ-চারখাই-শাহবাগ হয়ে জকিগঞ্জ সড়ক দিয়ে কানাইঘাট পৌঁছা যাবে। এছাড়া গাজী বুরহান উদ্দিন সড়ক দিয়ে সিলেট-গাছবাড়ী সড়ক দিয়ে কানাইঘাট সদরে পৌছার সুযোগ রয়েছে। সিলেট শহর থেকে কানাইঘাট সদরে বাসভাড়া সর্বোচ্চ ৬০টাকা এবং সিএনজি-অটোরিকশা ভাড়া সর্বোচ্চ ১শ’ টাকা। রিজার্ভ সিএনজি ৫শ’ ৭শ’ টাকা হবে। তিন পথেই সিএনজিযোগে যাওয়া যাবে কানাইঘাটে। চলতি বছর কানাইঘাটে সুরমা নদীর উপর ব্রীজ চালু হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজ হয়েছে।
কানাইঘাটে পৌঁছার পর বাজার হতে নৌকাযোগে যেতে হবে লোভাছড়ায়। জনপ্রতি ৩০ থেকে ৪০টাকা নৌকা ভাড়া লাগবে। এছাড়া রিজার্ভ নৌকা নিলে সাতশো থেকে এক হাজার’ টাকার বেশি হবে না। আর লোভাছড়া ঘুরতে সময় লাগবে প্রায় ৩ থেকে ৪ঘন্টা। সবুজে আচ্ছাদিত, অপরূপ বন, স্বচ্ছ পানির ঝর্ণা আর নদী, পাথর সমৃদ্ধ লোভাছড়া; যা আপনাকে বিমোহিত করবে। রাঙ্গামাটির মতোই একটি ঝুলন্ত ব্রিজ রয়েছে এই লোভাছড়ায়! আপনি আরো বিস্মিত হবেন, যখন দেখবেন ব্রিজটির গায়ে খোদাই করে লেখা রয়েছে- ব্রিজটি নির্মিত হয় ১৯২৫ সালের এপ্রিল মাসে!
কানাইঘাট বাজার ছাড়া খাবারের ভালো ব্যবস্থা নেই। তাই সঙ্গে পর্যাপ্ত খাবার ও পানি রাখা ভালো। জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত লোভাছড়া ভ্রমনের উপযুক্ত সময়। সাঁতার না জানলে নদীতে নামবেন না। নদী তীরে কোথাও ডুবোচর আছে কিনা, স্থানীয় মানুষজনকে জিজ্ঞেস করে নিশ্চিত হয়ে নিবেন। কানাইঘাট উপজেলা সদর থেকে লোভাছড়ার দূরত্ব মাত্র ৯ কিলোমিটার। উিপজেলা সদর থেকে সড়ক ও নদী পথে লোভাছড়ায় যাওয়া যায়। লোভাচড়ায় যাতায়াতের রাস্তটির অর্ধেকের চেয়ে বেশি কাঁচা হওয়ায় খুবই কষ্ট করে সেখানে পৌছাতে হয়। তাই নদী পথে লোভাছড়ায় যাওয়াই সহজ রাস্তা।
বিছনাকান্দি
প্রকৃতির সৌন্দর্যে শোভিত অপরূপ এক লীলাভূমি সিলেট। আর তার সাথে রয়েছে প্রকৃতির অসাধারণ রূপ-লাবন্যে ঘেরা সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ‘বিছনাকান্দি’। সিলেটের গোয়াইনঘাটের নতুন পর্যটনকেন্দ্র বিছনাকান্দির সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসছে। সারি সারি নীল পাহাড়ের কোলে পাথর বিছানো বিশাল বিছানায় (বিস্তৃত এলাকায়)জলের ছুটাছুটি। .
Enter Slide 2 Title Here
This is slide 2 description. Go to Edit HTML of your blogger blog. Find these sentences. You can replace these sentences with your own words.
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট
বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে প্রত্যেকের এই জায়গাটিতে অন্তত একবারের জন্যে হলেও যাওয়া উচিত, নয়তো আসলেই আপনি দারুণ একটি জিনিস মিস করবেন শিউর ।
Latest
Monday, May 22, 2017
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট (জলারবন)
বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে প্রত্যেকের এই জায়গাটিতে অন্তত একবারের জন্যে হলেও যাওয়া উচিত,
নয়তো আসলেই আপনি দারুণ একটি জিনিস মিস করবেন শিউর ।
কিভাবে যাবেন রাতারগুল –
ট্রেনে করে গেলে কমপক্ষে ৩ দিন আগে টিকেট কেটে রাখবেন, ঢাকার কমলাপুর বা এয়ারপোর্ট স্টেশন থেকে
কাটলে ভাল হয়। আর বাসে গেলে ঢাকার সায়েদাবাদ ( শ্যামলী, হানিফ, এনা, আল বারাকা পরিবহন ) বা মহাখালী/ উত্তরার এনা
পরিবহনের টিকেট কাটবেন ( রাতের বাস ধরবেন ১১ টা বা ১২ টার ) ; ঢাকা টু সিলেট, সময়- ৫ ঘণ্টা, ভাড়া- বাসে ৪৫০ থেকে ৭৫০ ( এ সি )
, ট্রেনে ২০০ থেকে আনুমানিক ১০০০ টাকা। বাসে বা ট্রেনে যেটাতেই যান পরদিন রাতের ফিরতি টিকেট বুক করে বা কেটে রাখলে সুবিধে।
ভোরে সিলেট রেল স্টেশন বা বাস টার্মিনাল নেমে ফ্রেশ হয়ে সি এন জি ঠিক করবেন গোয়াইন ঘাট বাজার পর্যন্ত,
সময়- ২ থেকে ২ ঘণ্টা ৩০ মি । ভাড়া- ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা।
বাজার থেকে ১০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিয়ে ১৫ মি পর পৌঁছলেন ঘাটে।
ভাল ভাবে দর কষা কষি করে একটা ট্রলার ঠিক করবেন রাতারগুল হয়ে সালুটিকর ঘাট পর্যন্ত।
ভাড়া- ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা। সময়- ১.৩০ – ১.৪৫ ঘণ্টা ( রাতারগুল পর্যন্ত )।
রাতারগুল বিটে নেমে একটা ডিঙ্গি নৌকা ঠিক করবেন বন ঘুরে দেখার জন্য। সময় – ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ( মর্জির উপর ), ভাড়া- ৩০০- ৩৫০ টাকা।
আবার ডিঙ্গি করে ট্রলারের কাছে ফিরে এলে , এতে করে পথ ধরবেন শালুটিকর ঘাটের পানে।
শালুটিকর ঘাট থেকে একটা সি এন জি নিয়ে চলে যাবেন সিলেট শহরে । সময় – ১.৩০ ঘণ্টা।
ভাড়া- ২৫০- ৩০০ টাকা।
( আপনি চাইলে ট্রলারে করে শালুটিকর ঘাটে না এসে পুনরায় গোয়াইন ঘাট নামতে পারেন ও আগের মত ফিরতি পথ ধরবেন।)
পোস্টটা উপকারী মনে হলে সবার সাথে শেয়ার করার অনুরোধ থাকলো,
এতে অনেকেই আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে নতুন করে অনেক কিছুই জানতে সক্ষম হবে ।
বিঃদ্রঃ কোথাও ঘুরতে গেলে খেয়াল রাখবেন আপনার দ্বারা বা আপনার সাথে যারা যাবে তাদের দ্বারা উক্ত স্থানের কোন ধরণের যেন ক্ষতি না হয়,
যে কোন ধরণের উচ্ছিষ্ট (প্যাকেট/বোতল) যেখানে যেখানে না ফেলে সাথে করে নিয়ে আসবেন ।
প্রকৃতির মাঝে আমরা ভ্রমনপ্রিয়রা সৌন্দর্য আহরণ করতে যাই,
এটা অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত যে- আমাদের দ্বারা যেন সেই প্রকৃতির সৌন্দর্য বিনষ্ট না হয় ।
নয়তো আসলেই আপনি দারুণ একটি জিনিস মিস করবেন শিউর ।
কিভাবে যাবেন রাতারগুল –
ট্রেনে করে গেলে কমপক্ষে ৩ দিন আগে টিকেট কেটে রাখবেন, ঢাকার কমলাপুর বা এয়ারপোর্ট স্টেশন থেকে
কাটলে ভাল হয়। আর বাসে গেলে ঢাকার সায়েদাবাদ ( শ্যামলী, হানিফ, এনা, আল বারাকা পরিবহন ) বা মহাখালী/ উত্তরার এনা
পরিবহনের টিকেট কাটবেন ( রাতের বাস ধরবেন ১১ টা বা ১২ টার ) ; ঢাকা টু সিলেট, সময়- ৫ ঘণ্টা, ভাড়া- বাসে ৪৫০ থেকে ৭৫০ ( এ সি )
, ট্রেনে ২০০ থেকে আনুমানিক ১০০০ টাকা। বাসে বা ট্রেনে যেটাতেই যান পরদিন রাতের ফিরতি টিকেট বুক করে বা কেটে রাখলে সুবিধে।
ভোরে সিলেট রেল স্টেশন বা বাস টার্মিনাল নেমে ফ্রেশ হয়ে সি এন জি ঠিক করবেন গোয়াইন ঘাট বাজার পর্যন্ত,
সময়- ২ থেকে ২ ঘণ্টা ৩০ মি । ভাড়া- ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা।
বাজার থেকে ১০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিয়ে ১৫ মি পর পৌঁছলেন ঘাটে।
ভাল ভাবে দর কষা কষি করে একটা ট্রলার ঠিক করবেন রাতারগুল হয়ে সালুটিকর ঘাট পর্যন্ত।
ভাড়া- ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা। সময়- ১.৩০ – ১.৪৫ ঘণ্টা ( রাতারগুল পর্যন্ত )।
রাতারগুল বিটে নেমে একটা ডিঙ্গি নৌকা ঠিক করবেন বন ঘুরে দেখার জন্য। সময় – ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ( মর্জির উপর ), ভাড়া- ৩০০- ৩৫০ টাকা।
আবার ডিঙ্গি করে ট্রলারের কাছে ফিরে এলে , এতে করে পথ ধরবেন শালুটিকর ঘাটের পানে।
শালুটিকর ঘাট থেকে একটা সি এন জি নিয়ে চলে যাবেন সিলেট শহরে । সময় – ১.৩০ ঘণ্টা।
ভাড়া- ২৫০- ৩০০ টাকা।
( আপনি চাইলে ট্রলারে করে শালুটিকর ঘাটে না এসে পুনরায় গোয়াইন ঘাট নামতে পারেন ও আগের মত ফিরতি পথ ধরবেন।)
পোস্টটা উপকারী মনে হলে সবার সাথে শেয়ার করার অনুরোধ থাকলো,
এতে অনেকেই আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে নতুন করে অনেক কিছুই জানতে সক্ষম হবে ।
বিঃদ্রঃ কোথাও ঘুরতে গেলে খেয়াল রাখবেন আপনার দ্বারা বা আপনার সাথে যারা যাবে তাদের দ্বারা উক্ত স্থানের কোন ধরণের যেন ক্ষতি না হয়,
যে কোন ধরণের উচ্ছিষ্ট (প্যাকেট/বোতল) যেখানে যেখানে না ফেলে সাথে করে নিয়ে আসবেন ।
প্রকৃতির মাঝে আমরা ভ্রমনপ্রিয়রা সৌন্দর্য আহরণ করতে যাই,
এটা অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত যে- আমাদের দ্বারা যেন সেই প্রকৃতির সৌন্দর্য বিনষ্ট না হয় ।
![]() |
| রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট (জলারবন) |
বিছনাকান্দি
প্রকৃতির সৌন্দর্যে শোভিত অপরূপ এক লীলাভূমি সিলেট। আর তার সাথে রয়েছে প্রকৃতির অসাধারণ রূপ-লাবন্যে ঘেরা সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ‘বিছনাকান্দি’। সিলেটের গোয়াইনঘাটের নতুন পর্যটনকেন্দ্র বিছনাকান্দির সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসছে। সারি সারি নীল পাহাড়ের কোলে পাথর বিছানো বিশাল বিছানায় (বিস্তৃত এলাকায়)জলের ছুটাছুটি। পাহাড়ের বুক চিরে বের হয়ে আসা ঠাণ্ডা পানির স্রোত। যা আপনাকে দু হাত প্রসারিত করে আলিঙ্গন করবে সব সয়মই। প্রকৃতির সৌন্দর্যে শোভিত অপরূপ এই লীলাভূমির নাম বিছনাকান্দি। প্রকৃতির অসাধারণ রূপ-লাবন্যে ঘেরা স্থানটি ৩৬০ আউলিয়ার দেশ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। বর্ষার দিনে বিছনাকান্দির পূর্ণ যৌবনে লাভ করে। যাতায়াত হয় অনেক সহজ। গরমের অস্বস্তি থেকে প্রকৃতির কোলে শান্তি পেতে চাইলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন বিছনাকান্দি থেকে। সিলেটের স্বর্গীয় বিছানা নামে বিছনাকান্দিতে আপনি পেতে পারেন প্রকৃতির মনোরম লাবণ্যের স্পর্শ। একে জীবন-যাপনের যাবতীয় ক্লান্তি বিসর্জনের জন্য চমৎকার যায়গা বললেও বরং কম হয়ে যায়।
কী ভাবে যাবেনঃ বিছনাকান্দির এমন সৌন্দর্য বরষা চলে গেলে বা পানি কমে গেলে আর থাকেনা। তখন এটা একটা মরুদ্যান মতো লাগে। পাথর বহন করার জন্য এখানে চলে অজস্র ট্রাক আর ট্রাকটর। সুতরাং অক্টোবর পর্যন্ত বিছনাকান্দি যাবার মোক্ষম সময়। মন চাইলে এখনি চলে যেতে পারেন।ঢাকা থেকে প্রথম আপনাকে সিলেট শহরে যেতে হবে। তার পর সেখান থেকে বিছনাকান্দি যাবার কয়েকটা পথ রয়েছে। আপনি চাইলে নদী পথে যেতে পারেন। আবার সড়কপথে নিজস্ব বাহন, সিএনজি চালিত অটো রিকসা কিংবা লেগুনা ভাড়া করে দল বেঁধে যেতে পারেন। নদী পথে গেলে আপনাকে প্রথমে যেতে হবে পাংখুমাই। সেখান থেকে ট্রলারে চেঁপে বিছনাকান্দি। পাংখুমাই হয়ে বিছনাকান্দি গেলে বাড়তি পাওনা এখানকার বিশাল ঝর্না আর পিয়াইন নদীর অপরূপ রূপসূধা। পাংখুমাই যেতে সময় লাগে দেড়ঘন্টা। সেখান থেকে বিছনাকান্দি আরও দেড় থেকে দুই ঘণ্টার পথ। সড়কপথ হলে সিলেট শহর থেকে যে কোন বাহনে চেপে চলে যান হাদারপার বাজার। সেখান থেকে নৌকায় বিছনাকান্দি। যেভাবেই যান হাদারপার বাজারে গনি মিয়ার ভূনা খিঁচুড়ি খালি পেটে অমৃত সুখ দেবে আপনাকে।
![]() |
| বিছনাকান্দি |
তবে আপনার জন্য আমাদের পরামর্শ সড়ক পথে বিছনাকান্দি যাওয়া। সেক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে হাদারপার খেয়াঘাঁটে নৌকার মাঝি যাচ্ছে তাই ভাড়া চাইবে। দরদাম ঠিক করে কম পক্ষে তিন ঘণ্টার জন্য হাদার পার থেকে নৌকা ভাড়া নিয়ে তবেই বিছনাকান্দির পথ ধরুন। ভাড়া ৬০০টাকার বেশি নয়। অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের সমাহার। কল্পনাও করতে পারবেন না বিছনাকান্দির সৌন্দর্য। বিস্ময়কর মানে এতটাই বিস্ময়কর। কাছেই দাঁড়িয়ে মেঘে ঢাকা মেঘালয় পর্বতমালা আর সে পাহাড় থেকে প্রবাহিত সু-শীতল ঝর্নাধারার তীব্র প্রবাহ। এখানে পাথরে ভরা পুরো এলাকা। পানিতে বিছানো রয়েছে মোটা-শক্ত, ছোট-বড় হাজার কোটি পাথর। সে সব পাথরের কোনোটাতে মোটা ঘাসের আস্তরণ। আবার কোনোটা বা ধবধবে সাদা।এ সব পাথর মেঘালয় পর্বতমালার ওপর থেকে প্রবাহিত ঝর্নার ধারায় চলে এসেছে পিয়াইন নদীর বিছনাকান্দি অংশে। মুগ্ধ চিত্তে চেয়ে চেয়ে দেখতে বিছনাকান্দির চারপাশ।যত দেখবেন ততই মুগ্ধ হবেন। তারপর ঝাঁপিয়ে পড়তে ইচ্ছে করবে পাথর ভরা পিয়াইন নদীর সু-শীতল সেই জলে। শরীর এলিয়ে দিয়েই পাথর জলের বিছানায় আপনার মনে হবে, আহা কী শান্তি! যে বিছানা ছেড়ে হয়তো কোন কালেই উঠতে ইচ্ছে করবে না আপনার।
Sunday, May 21, 2017
খাবার হোটেল
সিলেটে খাবার হোটেল

| হোটেলের নাম | হোটেলের ঠিকানা | ফোন নাম্বার | মোবাইল নাম্বার |
| উনদাল | পূর্ব জিন্দাবাজার, সিলেট | ০৮২১-২৮৩২১৯৭ | ০১৭১৭০২০৫০৫ |
| এক্সোটিকা রেস্টুরেন্ট | জাফলং রোড, মিরাবাজার, সিলেট | ০১৭১১১৯৭০১২ | |
| আলপাইন রেস্টুরেন্ট | চৌহাট্টা, সিলেট | ০১৭১৫১৯৫৫৫০ | |
| হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল | বন্দর সিলেট | +৮৮০৮২১২৮৩৩৪০৪ | ০১৭৩১৫৩৩৭৩৩ |
| পাঁচ ভাই খাবার হোটেল | দিরাই সিলেট | ০১৭১০২৩৪৫১৩ |
আবাসিক হোটেল
সিলেট শহরে থাকার আবাসিক হোটেল
| হোটেলের নাম | হোটেলের ঠিকানা | ফোন নাম্বার | মোবাইল নাম্বার |
| হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল | বন্দর | ০৮২১২৮৩৩৪০৪ | ০১৭৩১৫৩৩৭৩৩ |
| হোটেল নির্ভানা ইন | রামের দিঘির পাড়, মির্জা জাঙ্গাল, সিলেট | ০৮২১২৮৩০৫৭৬ | ০১৭৩০০৮৩৭৯০ ০১৯১১৭২০২১৩ ০১৭১১৩৩৬৭৬১ |
| হোটেল স্টার প্যাসিফিক | ইস্ট দরগাহ গেইট | ০৮২১-২৮৩৩০৯১ | ০১৭১৩৬৭৪০০৯ ০১৯৩৭৭৭৬৬৩৩ |
| হোটেল অনুরাগ | ধোপা দীঘি নর্থ | ৭১৫৭১৭, ৭১৪৪৮৯, | ০১৭১২০৯৩০৩৯ |
| হোটেল সুপ্রীম | জাফলং রোড, মিরাবাজার, সিলেট | ০৮২১-৭২০৭৫১, ৮১৩১৬৯ | ০১৭১১১৯৭০১২ |
| হোটেল সানফ্লাওয়ার | বন্দর, শিশুপার্কের | ০৮২১-৭১৩৯১৪ | |
| হোটেল এশিয়া | বন্দরবাজার) | ০১৯২২৫৯৫৮৪১ ০১৯২২৫৯৫৮৪০ | |
| সুরমা ভ্যালি গেস্ট হাউস | জেলা প্রশাসক/পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশে | ০১৭১৬০৯৫৮৩৬ | |
| হোটেল সিলেট ইন | মিরবক্সটুলা | ৮৮-০৮২১-৮১১৯৪৫ | |
| হোটেল আল-আরব | হযরত শাহজালাল (র: ) মাজার শরীফ পূর্ব দরগাহ্ গেইট, সিলেট | ০৮২১-৭২৪০৫৯ | ০১৭২১৮১২৬৬২ |
| হোটেল উর্মি | হযরত শাহজালাল (র: ) মাজার শরীফ পূর্ব দরগাহ্ গেইট, সিলেট | ০৮২১-৭১৪৫৬৩ | ০১৭৩৩১৫৩৮০৫ |
| নাজিমগড় রিসোর্ট | সিলেট | ০১৯১৬২৭১৯৩৫ ০১৭২৯০৯৭৮৪৯ | |
| জাকারিয়া স্টেট | সিলেট | ০১৭১৬৮১০১৪৪
|
দর্শনীয় স্থান
![]() |
| •জাফলং |
হযরত শাহজালাল (রাঃ) ও হযরত শাহ পরান (রাঃ) এর পবিত্র মাজার শরীফ এ জেলায় অবস্থিত। প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ লোক মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আগমন করে। আসে বিপুল সংখ্যক পর্যটক। সিলেট এর স্থানীয় ভাষা ‘‘নাগরী ভাষা’’র একটি বিশেষত্ব রয়েছে যা অন্য অঞ্চল থেকে পৃথক। শীত মৌসুমে সিলেটের হাওর-বাওর গুলো ভরে উঠে অতিথি পাখির কলরবে।
•জাফলং
•ভোলাগঞ্জ
•লালাখাল
•তামাবিল
•হাকালুকি হাওড়
•ক্বীন ব্রীজ
•হযরত শাহজালাল(রাঃ) ও হযরত শাহ পরাণ(রাঃ) এর মাজার শরীফ
•মহাপ্রভু শ্রী চৈত্যনো দেবের বাড়ী
•হাছন রাজার মিউজিয়াম
•মালনী ছড়া চা বাগান
•ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
•পর্যটন মোটেল
•জাকারিয়া সিটি
•ড্রিমল্যান্ড পার্ক
•আলী আমজাদের ঘড়ি
•জিতু মিয়ার বাড়ী
•মনিপুরী রাজবাড়ি।
•মনিপুরী মিউজিয়াম
•শাহী ঈদগাহ
![]() |
| •মাধবকুন্ড জলপ্রপাত |
•মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
•সৈয়দপুর গ্রাম
•সিলেটী নাগরী লিপি
•পাংতুমাই
•রাতারগুল
•টাংগুয়ার হাওর
•লোভাছড়া
•হাম হাম জলপ্রপাত
•পরীকুন্ড ঝর্ণা
•সাতছড়ি উদ্যান
•হারং হুরং
•বরাক নদীর তিন মোহনা
তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট
![]() |
| •ড্রিমল্যান্ড পার্ক |
জেলার ঐতিহ্য
জেলার ঐতিহ্য
সিলেট জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল সিলেট। এটি সিলেট বিভাগের অধিক্ষেত্রভুক্তি একটি জেলা। সিলেট বাংলাদেশের উওর-পূর্বে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ। বনজ, খনিজ ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত এ জেলা দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত। জৈন্তিয়া পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য, জাফলং এর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, ভোলাগঞ্জের সারি সারি পাথরের স্তূপ পর্যটকদের টেনে আনে বার বার।.
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সিলেট জেলার বিপুল সংখ্যক লোক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অভিবাসন গ্রহণ করেছে তারা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখে। সিলেটের পাথর, বালির গুণগতমান দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। জেলার প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে যা সারা দেশের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করে থাকে। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ জেলার ভূমিকা অপরিসীম। মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি ওসমানী এ জেলারই কৃতী সন্তান।
১৭৬৭ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চল ব্রিটিশদের করায়ত্ত হবার পর ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে সিলেট জেলার সৃষ্টি হয় এবং প্রথম কালেক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মিঃ উইলিয়াম থ্যাকারে। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এক পর্যায়ে সিলেট জেলাকে ভেঙ্গে চারটি জেলা সৃষ্টি করা হয় । স্বাধীনতাপূর্ব সদর মহুকুমার এলাকা নিয়ে বর্তমানে সিলেট জেলা গঠিত । ১২টি উপজেলা নিয়ে বর্তমান সিলেট জেলা গঠিত।
সিলেট জেলার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা হলো সিলেট শহর । ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলেই সিলেট দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে। সিলেট পৌরসভা সৃষ্টি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে । ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুন এক মারাত্মক ভূমিকম্প গোটা সিলেট শহরটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ফেলে। পরবর্তী কালে ধ্বংসস্ত্তপের ওপর গড়ে উঠে ইউরোপীয় ধাঁচের আরও সুন্দর ও আধুনিক শহর। ১৮৯০ এর দশকের শেষ ভাগে বেশ কিছু রাস্তাঘাট তৈরি করা হয়। ১৯১২-১৫ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের একটি শাখা সিলেটের সাথে সংযুক্ত হলে দেশের অন্যান্য অংশের সাথে সিলেটের বিচ্ছিন্নতার প্রকৃত অবসান ঘটে।
চা শিল্পের কারণে বিশ শতকের প্রথম দিকে সিলেট শহরের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৫০ ও ১৯৬০ দশকে প্রবাসী সিলেটীদের কল্যানে সিলেটের শহর দ্রুত নগরায়ণ ঘটতে থাকে এই নগরায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট
![]() |
| বাংলাদেশে সিলেট জেলার অবস্থান |
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সিলেট জেলার বিপুল সংখ্যক লোক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অভিবাসন গ্রহণ করেছে তারা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখে। সিলেটের পাথর, বালির গুণগতমান দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। জেলার প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে যা সারা দেশের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করে থাকে। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ জেলার ভূমিকা অপরিসীম। মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি ওসমানী এ জেলারই কৃতী সন্তান।
১৭৬৭ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চল ব্রিটিশদের করায়ত্ত হবার পর ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে সিলেট জেলার সৃষ্টি হয় এবং প্রথম কালেক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মিঃ উইলিয়াম থ্যাকারে। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এক পর্যায়ে সিলেট জেলাকে ভেঙ্গে চারটি জেলা সৃষ্টি করা হয় । স্বাধীনতাপূর্ব সদর মহুকুমার এলাকা নিয়ে বর্তমানে সিলেট জেলা গঠিত । ১২টি উপজেলা নিয়ে বর্তমান সিলেট জেলা গঠিত।
সিলেট জেলার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা হলো সিলেট শহর । ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলেই সিলেট দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে। সিলেট পৌরসভা সৃষ্টি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে । ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুন এক মারাত্মক ভূমিকম্প গোটা সিলেট শহরটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ফেলে। পরবর্তী কালে ধ্বংসস্ত্তপের ওপর গড়ে উঠে ইউরোপীয় ধাঁচের আরও সুন্দর ও আধুনিক শহর। ১৮৯০ এর দশকের শেষ ভাগে বেশ কিছু রাস্তাঘাট তৈরি করা হয়। ১৯১২-১৫ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের একটি শাখা সিলেটের সাথে সংযুক্ত হলে দেশের অন্যান্য অংশের সাথে সিলেটের বিচ্ছিন্নতার প্রকৃত অবসান ঘটে।
চা শিল্পের কারণে বিশ শতকের প্রথম দিকে সিলেট শহরের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৫০ ও ১৯৬০ দশকে প্রবাসী সিলেটীদের কল্যানে সিলেটের শহর দ্রুত নগরায়ণ ঘটতে থাকে এই নগরায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট
Subscribe to:
Posts (Atom)









